CONFERENCE, SEMINAR, WORKSHOP, TRAINING & FIESTA
04-08-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্প সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ^বিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ০৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার সকালে এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে গবেষণায় প্লেজারিজম চেকের মাধ্যমে কপির বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের গবেষণাগুলোতে কপির হার তুলনামূলক কম হলেও সংবাদ পরিবেশনে আমাদের দেশের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে গবেষণার ক্ষেত্রে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে মোট ২৮জন অনুষদীয় সদস্যের মধ্যে ২৬টি গবেষণা প্রকল্প অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। আপনাদের এই গবেষণাগুলো শিক্ষার্থীদের মানব সম্পদ হিসেবে তৈরি করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ- সুখন) এবং আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. রাজু আহমেদ। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. শাইখ মোস্তাক আহাম্মদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. জহুরুল আলম। সঞ্চালনায় ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আব্দুল মোমেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)- এর অর্থায়ণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পগুলোর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মোট ২৬টি গবেষণা প্রকল্পের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
04-08-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্প সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ০৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সোমবার সকালে এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গবেষণা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষতার মানদ-। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোন বিকল্প নাই। আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিজ্ঞানে যে দেশ যত এগিয়ে সে দেশ তত এগিয়ে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ অনেকটা অবহেলিত। সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান অনুষদে অনেক বিষয় চালু রয়েছে, অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো বিজ্ঞানের বেসিক বিষয়গুলোই চালু করা হয় নি। বিজ্ঞানের বেসিক বিষয়গুলো চালুর জন্য ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি, আশা করি দ্রুত বিষয়গুলো চালু করা সম্ভব হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণাকে উৎসাহিত করতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি অনুষদে শ্রেষ্ঠ গবেষককে আমরা পুরস্কৃত করবো। প্রতি অনুষদের শ্রেষ্ঠ গবেষককে নগদ অর্থ, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদপত্র প্রদান করা হবে।’ তবে শুধু সংখ্যা না বাড়িয়ে মানসম্মত প্রবন্ধ প্রকাশ এবং নিজ নিজ প্রোফাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আপডেট করতে উপস্থিত গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান মাননীয় উপাচার্য।সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ- সুখন) এবং আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুবুন নাহার। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাসান খালেদ রউফ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মো. বদিউজ্জামান খান এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ। সঞ্চালনায় ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)- এর অর্থায়ণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পগুলোর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের মোট ২৪টি গবেষণা প্রকল্পের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
02-08-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদের গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্প সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ^বিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ০২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রবিবার সকালে এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক পুরনো দিনের ক্যাসেটের মতো। একই বিষয় বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের শেখাতে হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ শুধু শিক্ষা দেন আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ শিক্ষার সাথে সাথে গবেষণা করেন। সুতরাং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন তত্ত্ব, সূত্র আবিস্কার করে শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়। গবেষণার মাধ্যমে নতুন আবিস্কারই হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের কৃতিত্ব। তবে গবেষণার ক্ষেত্রে অন্য কারও লেখার অংশবিশেষ ব্যবহার করলে তার স্বীকৃতি দিতে হবে। অর্থাৎ রেফারেন্স হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করতে হবে। আপনারা গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখবেন।’সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ- সুখন) এবং আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রফেসর ড. এস এম ফারুক হোসাইন ও ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শেরেজ্জামান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. রশীদ হারুন ও দর্শন বিভাগের প্রফেসর জাকির হোসেন, রবীন্দ্র মৈত্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রফেসর ড. রশিদুন্ নবী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর আহম্মেদ বশির। সঞ্চালনায় ছিলেন ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তুহিনুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)- এর অর্থায়ণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পগুলোর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কলা অনুষদের মোট ২১টি গবেষণা প্রকল্পের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
02-08-2026
Contemporary Population Issues, Sustainable Development, and Future Challenges: Bangladesh Perspectives
The Department of Population Science, Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University, successfully organized a seminar titled "Contemporary Population Issues, Sustainable Development, and Future Challenges: Bangladesh Perspectives" on 25 July 2026.The seminar was chaired by Dr. K. M. Mustafizur Rahman, Head of the Department of Population Science. The Chief Discussant of the seminar was H.E. Prof. Dr. Rashed Al Mahmud Titumir, Advisor to the Honorable Prime Minister of the People's Republic of Bangladesh. In his keynote discussion, he emphasized the importance of addressing contemporary population challenges through evidence-based policymaking, sustainable development strategies, and effective governance. He highlighted the need to strengthen human capital, improve demographic planning, and enhance research-based policy interventions to achieve long-term national development goals.The seminar was further enriched by the presence of Professor Dr. Mohammad Musharof Hossain, Honourable Vice Chancellor; Professor Dr. Md. Bakhtiar Uddin, Dean, Faculty of Social Science; and Khondokar Nazmul Hasan, Registrar (In-Charge), who participated as Special Discussants.The seminar was attended by all faculty members and students of the Department of Population Science, along with teachers from other departments of the University. An interactive discussion session followed the keynote presentation, during which participants exchanged views on current population dynamics, demographic transition, employment, urbanization, ageing, climate change, and the future development challenges of Bangladesh.The Chair concluded the seminar by expressing sincere gratitude to the Chief Discussant, Special Discussants, distinguished guests, faculty members, students, and all participants for their valuable presence and contributions. He also thanked the organizing committee for successfully arranging the seminar and expressed hope that such academic events would continue to strengthen research, collaboration, and policy dialogue in the field of population science.
29-07-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষ উপলক্ষ্যে একক বক্তৃতা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের আয়োজনে একক বক্তৃতা ও গবেষণা প্রকল্প অগ্রগতি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার সকালে এই একক বক্তৃতা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একক বক্তৃতা ও সেমিনারে একক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, নজরুল গবেষক ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার।একক বক্তা কবি, নজরুল গবেষক ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার বক্তব্যের শুরুতে জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘কবি নজরুলকে নিয়ে বিভিন্ন সময় গবেষণা হলেও তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন ভুলভাবে গল্প বানানো হয়েছে। কবি নজরুল কখনো রুটির দোকানে বেলনা দিয়ে রুটি বানান নি। প্রকৃতপক্ষে কবি একটি বেকারীতে বনরুটি/পাউরুটি বানানোর কাজ করতেন। কবি নজরুলের সম্মোহন ক্ষমতা ছিল প্রখর। গান, কবিতা, খেলা সবকিছুতেই তিনি ছিলেন পারদর্শী। দারোগা রফিজউল্লাহ সেই প্রতিভাবান নজরুলকে ত্রিশালের এই মাটিতে নিয়ে এসেছিলেন। কবিকে ত্রিশাল নিয়ে আসায় রফিজউল্লাহ দারোগার নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনকিছুর নামকরণ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’তিনি আরও বলেন, ‘দুধের সাথে সাদা যেমন আর দেহের সাথে রুহের যেমন সম্পর্ক ঠিক তেমনি বাংলাদেশের সাথে নজরুলের সম্পর্ক। নজরুলের একেকটি শব্দ একেকটি যুদ্ধ ঘোষণা। এমন শব্দ আর কোন কবি ব্যবহার করতে পারেন নি। ঔপনিবেশিক ও অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে ছিল কবির যুদ্ধ। স্বাধীনতার জন্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর মতো আর কোন কবি বলেন নি। কবি নজরুল ছিলেন গণমূখী সাংবাদিকতার জনক। তিনি কাউকে বড় করতে গিয়ে অপরকে কখনো ছোট করেন নি। কবি নজরুলের অবিসংবাদিতার কারণেই তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তিনি আমাদের আলোকবর্তিকা, তিনি একসাথে অনেক কাজ করতে পারেন। নজরুল চর্চা আমাদের আরও বাড়াতে হবে, তবেই আমরা অসাম্প্রদায়িক সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারবো।’সভাপতির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘প্রত্যেক বাঙালির মনে নজরুল চেতনা অন্যন্য হিসেবে বিরাজমান। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন, স্থাপনা, গাড়ীসহ সবকিছুর নামকরণে কবি নজরুলের সৃষ্টিকর্ম অনুযায়ী রাখা হয়েছে। তবে নজরুলের চেতনা ধারণ করা আর জানার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। নজরুলকে জানতে হলে নজরুলের সৃষ্টিকর্মের অন্তরে প্রবেশ করতে হবে। নজরুলকে জেনে তাঁর চেতনা ধারণ করে চলতে পারলে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘নজরুলের প্রত্যেকটি সৃষ্টির শিরোনামই একেকটা পারমাণবিক বোমা। তাঁর সেই সৃষ্টিকর্মগুলো যদি বিভিন্ন ভাষায় ভাষান্তর করা হতো তাহলে তিনি নিশ্চয়ই নোবেল প্রাইজ পেতেন।’ একক বক্তৃতা ও সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ- সুখন) ও আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদুল আনাম। উল্লেখ্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)- এর অর্থায়নে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পের অগ্রগতি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে শিক্ষার্থীদের মোট ৩৮টি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। গবেষণা প্রকল্প মূল্যায়নকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল গবেষক প্রফেসর ড. রশিদুন্ নবী এবং নজরুল গবেষক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)।
27-07-2026
নজরুলবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে একক বক্তৃতা ও গবেষণা প্রকল্প অগ্রগতি সেমিনার
নজরুলবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে একক বক্তৃতা ও গবেষণা প্রকল্প অগ্রগতি সেমিনার
21-07-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্প সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখ সোমবার সকালে এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষতার মানদ- হলো গবেষণা। যে বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় যত এগিয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে ততো এগিয়ে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় নবীন হলেও গবেষণার ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক।’উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দের উদ্দেশ্যে মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমাদের মাঝে অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও গবেষণায় দক্ষ রিসোর্স পার্সন উপস্থিত আছেন। তাঁদের আলোচনার মাধ্যমে যে দিকনির্দেশনা পাবেন তা কাজে লাগিয়ে গবেষণা প্রকল্পগুলো পরিশীলিত করবেন। গবেষণা প্রতিবেদনগুলো ভালো মানের জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করবেন। ভালো মানের জার্নালে অনেক সময় রিজেক্ট হতে পারে, তবে রিজেক্ট হলে তাদের পরামর্শগুলো মেনে আবারও পাঠাবেন। গবেষকদের অত্যন্ত ধৈর্যশীল এবং ধীর-স্থির হতে হবে। আমি আপনাদের সাথে নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিজ্ঞান ও গবেষণায় এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ- সুখন)। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফোকলোর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আতিজা দীল আফরোজ। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আতিকুল ইসলাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. পারভেজ আজহারুল হক, অর্থনীতি বিভাগের মো. ফরিদ উদ্দিন খান এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মুনশি ইসরাইল হোসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)- এর অর্থায়ণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পগুলোর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের চারটি স্থানে মোট ৩৫টি গবেষণা প্রকল্পের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
13-07-2026
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে বার্ষিক সেমিনার ২০২৫-২৬ অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ‘বার্ষিক সেমিনার ২০২৫-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়| বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে ২৯ জুন ২০২৬ তারিখ সোমবার সকালে নতুন কলা ভবনের তৃতীয় তলায় তরুণের সাধনা সম্মেলন কক্ষে ‘জন্মশতবর্ষে রশীদ করীম, সুকান্ত ভট্টাটার্য এবং মুনীর চৌধুরী: জীবন ও সাহিত্য পাঠ’ শীর্ষক এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়| সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন|প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বেশি বেশি গবেষণা, সেমিনার কর্মশালা ও সিম্পোজিয়াম আয়োজন করতে হবে| এধরণের আয়োজন একইসাথে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েই উপকৃত হন|’ সেমিনার আয়োজনের জন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্য শেষ করেন| সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা-প্রিন্স)| স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সাহাবউদ্দিন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মাহবুব হোসেন| সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক জুয়েনা জাহান এ্যানি ও সহকারী অধ্যাপক ড. তানিয়া আক্তার| অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. ফারহানা শাহরিন, সহকারী অধ্যাপক ইফফাত আরা ইভা, বরিশাল ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আনিস হাসিনাসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ| সেমিনারে কথাসাহিত্যিক রশীদ করীম, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ও নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর জীবন ও সাহিত্যকর্মের নানাদিক আলোচনা করা হয়| শিক্ষার্থীদের জীবনগঠন, গবেষণা ও সৃষ্টিকর্মে উৎসাহ প্রদান করা হয়| রশীদ করীম, সুকান্ত ভট্টাচার্য ও মুনীর চৌধুরীর মতো শতবছর পরে তাদেরকেও যেনো পৃথিবী মনে রাখে, সেই স্বপ্ন ও কর্মে প্রাণিত করা হয় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের|সেমিনারে তিনটি প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা করা হয়| রশীদ করীমের ‘বিদায়বেলার মালাখানি’: সভ্যতার সংকটভাবনার নানামাত্রা শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কল্পনা হেনা রুমি এবং প্রবন্ধটি আলোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. অনিরুদ্ধ কাহালি| সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা: ˆশলী পর্যালোচনা শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. জান্নাতুল ফেরদৌস এবং আলোচনা করেন একই বিভাগে প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী| মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ এবং আরউইন শ’র ‘ব্যুরি দ্যা ডেড’: তুলনামূলক আলোচনা শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. তারানা নুপুর এবং আলোচনা করেন শিক্ষাবিদ ও মুনীর চৌধুরী গবেষক ড. মোহাম্মদ জয়নুদ্দীন|
